আজ ৪ বৈশাখ ১৪২৮, শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ , ৪:২৯ অপরাহ্ণ
ব্রেকিং নিউজ
সর্বশেষ খবর
নারায়ণগঞ্জবাসীকে ঈদুল ফিতরের আগাম শুভেচ্ছা জানালেন সজল বিন ইবু রূপগঞ্জ উপজেলায় সকল মার্কেট বন্ধের নির্দেশ সোনারগাঁয়ে সকল বিপনি বিতান বন্ধ করে দিলেন প্রশাসন না’গঞ্জের সাবেক সেই এসপি হারুন এবার ডিএমপির উপ-কমিশানর করোনা: শরীফুল হকের পক্ষে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানালেন শাওন

আড়াইহাজারে বিপাকে বিপুল সংখ্যক খেটে খাওয়া মানুষ


০৫ মে ২০২০ মঙ্গলবার, ০৪:২৩  পিএম

সময় নারায়ণগঞ্জ


আড়াইহাজারে বিপাকে বিপুল সংখ্যক খেটে খাওয়া মানুষ

আড়াইহাজার প্রতিনিধি : প্রাণঘাতি (কোভিড-১৯) করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার শঙ্কায় নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সরকারি নির্দেশে বন্ধ রাখা হয়েছে বিভিন্ন দোকানপাট। স্থানীয় প্রশাসন থেকে একমাত্র নিত্যপণ্যের দোকানপাট সকাল ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত খোলার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে সিমেন্টের দোকানের শ্রমিক, চায়ের স্টল, বেকারি, খাবার হোটেল, শীল সম্প্রদায়, দাস সম্প্রদায়, রিকশা চালক এবং ফুটপাটের ক্ষুদ্র ব্যবসা। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত আছেন বিপুল সংখ্যক শ্রমিক। তারা বর্তমানে বেকার। তাদের কর্মস্থল বন্ধ থাকায় উপার্জনও থমকে গেছে। সীমিত করা হয়েছে সিএনজি, রিকশা ও ভ্যানগাড়ীসহ যানবাহন চলাচল। সরকারি কিংবা বেসরকারি কোনো পক্ষ থেকেই খাদ্যসামগ্রী পায়নি বলে অনেকেই অভিযোগ করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতে কীভাবে চলবে তাদের সংসার। এনিয়ে তাদের কপালে চিন্তারভাঁজ। আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকেই পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আড়াইহাজার পৌরসভা বাজারে যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করছিলেন রিকশা চালক আমীর হোসেন। তার পরিবারে ৬ জন সদস্য রয়েছেন। দৈনিক সংসারে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা খরচ হচ্ছে। তিনি বলেন, এখন তার সারাদিনে ১০০ থেকে ২০০টাকা। এর মধ্যে রিকশার মালিককে জমা দিতে হচ্ছে ১০০টাকা। এই অবস্থায় তার সংসার চালাতে বেগ পেতে হচ্ছে। বিপাকে পড়েছে উপজেলার বিভিন্ন বাজারের প্রায় দুই শতাধিক শীল সম্প্রদায় শ্রমিক। এসব সেলুনে দৈনিক মজুরিতে কাজ করছেন প্রায় ৬ শতাধিক শ্রমিক। তারা দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় করতেন। র্দীঘদিন ধরে তাদের কর্মস্থল বন্ধ রয়েছে। এতে তাদের আয়ের একমাত্র পথও বন্ধ হয়ে গেছে। সংসারের একমাত্র ব্যক্তির উপার্জন বন্ধ হয়ে পড়ায় অনেক পরিবারে মানবেতর এখন জীবনযাপন করছেন। উত্তম শীল বলেন, আড়াইহাজার পৌরসভা বাজারে ২৬টি সেলুন দোকান আছে। এখানে প্রতিটি দোকানে গড়ে ৩জন শ্রমিক কাজ করে আসছিলেন। তারা প্রত্যেকেই দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০টাকা রোজগার করতেন। এখন তাদের উপার্জন বন্ধ। তিনি আরো বলেন, উপজেলার বিভিন্ন বাজারে প্রায় দুই শতাধিক সেলুন দোকান আছে। বর্তমানে দোকানগুলো বন্ধ রয়েছে। এরই সঙ্গে বন্ধ হয়ে গেছে মালিক-কর্মচারির আয়ের একমাত্র পথ। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু ছাঈদ মল্লিক বলেন, এ পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ২৭ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ করা হয়েছে। অপরদিকে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত ৩৩ ব্যক্তি করোনা সংক্রমণ হয়েছেন। তবে এদের মধ্যে পাঁচ জন সুস্থ হয়েছেন।

 

সময় নারায়নগঞ্জ.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:

শহরের বাইরে -এর সর্বশেষ