আজ ১৬ শ্রাবণ ১৪২৮, শনিবার ৩১ জুলাই ২০২১ , ৪:০৭ অপরাহ্ণ
ব্রেকিং নিউজ
সর্বশেষ খবর
নারায়ণগঞ্জবাসীকে ঈদুল ফিতরের আগাম শুভেচ্ছা জানালেন সজল বিন ইবু রূপগঞ্জ উপজেলায় সকল মার্কেট বন্ধের নির্দেশ সোনারগাঁয়ে সকল বিপনি বিতান বন্ধ করে দিলেন প্রশাসন না’গঞ্জের সাবেক সেই এসপি হারুন এবার ডিএমপির উপ-কমিশানর করোনা: শরীফুল হকের পক্ষে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানালেন শাওন

কোটি টাকা চাঁদাবাজীর পরও দুর্দিনে লাপাত্তা বিতর্কিত নাজিম উদ্দিন!


০৩ মে ২০২০ রবিবার, ১১:১৭  এএম

সময় নারায়ণগঞ্জ


কোটি টাকা চাঁদাবাজীর পরও দুর্দিনে লাপাত্তা বিতর্কিত নাজিম উদ্দিন!

তুষার আহমেদ : প্রাণঘাতী নভেল করোনা ভাইরাসের প্রভাবে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় কর্মহীন অসহায় গরিবদের পাশে দেখা যায়নি জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ও সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিনকে। অথচ এই ব্যক্তিই বিগত দিনগুলোতে আওয়ামীলীগ সরকারের দীর্ঘ এক যুগেরও বেশী সময়ের সু-দিনের সকল সুবিধা ভোগ করেছেন। এছাড়াও সাইনবোর্ড এলাকায় পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃত্বও দিয়ে আসছেন। এই শ্রমিক সংগঠনের অন্তরালে পরিবহন খাত থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি টাকা।

ফলে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থেকে হয়ে উঠেছেন অঢেল সম্পদের মালিক। এরপরও নিজ সংগঠনের সদস্যদের দূর্দিনেও উল্লেখ যোগ্য সহযোগিতা করেননি এই নেতা। শুরুর দিকে কিছু মাস্ক ও পরবর্তীতে মুখ চেনা কয়েকজনকে যৎ সামান্য চাল দিয়েই ক্ষ্যান্ত থেকেছেন তিনি। যা তার সামর্থের বিচারে একেবারেই বেমানান।


বিগত দিন গুলোতে দেখা গেছে, চাঁদাবাজিসহ বিতর্কীত কর্মকান্ডের ফলে জেলাজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ছেন সদর উপজেলার এই ভাইস চেয়ারম্যান। হত্যা, ভ‚মি দস্যুতা, চাঁদাবাজী এবং নারী কেলেঙ্কারী সহ নানা অপকর্মে সংবাদ শিরোনামও হয়েছেন বারংবার।


নারায়ণগঞ্জে আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী এম.পি শামীম ওসমানের নাম ব্যবহার করে ভ‚ইগড়, সাইনবোর্ড, তুষারধারা, গিরিধারা ও রঘুনাথপুরসহ আশপাশের এলাকায় গড়ে তুলেছেন সন্ত্রাস-চাঁদাবাজের রামরাজত্ব।


কিন্তু আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে যাওয়া এই অকৃতজ্ঞ ব্যক্তিই শামীম ওসমানকে নিয়ে করেছিলেন বেফাস মন্তব্য। ওই মন্তব্যের অডিও ফেসবুকের কল্যাণে ভাইরালও হয়েছিল। এতে করে নানা মুখি চাপে থেকেও তা আবার কাটিয়ে উঠেছিলেন অদৃশ্য মাধ্যমে।


অভিযোগ রয়েছে, ভূইগড়ের রূপায়ন টাউনের ৭৮৪ টি ফ্ল্যাটের প্রায় দুই হাজার মানুষ জিম্মি রয়েছে নাজিম উদ্দিন ও তার বাহিনীর কাছে। প্রতিবাদ করে বিভিন্ন সময় ফ্ল্যাটের অনেক বাসিন্দাই নিগৃহিত হয়েছেন তার সন্ত্রাসী বাহিনীর দ্বারা।


গত বছর ১৮ এপ্রিল নাজিম উদ্দিন বাহিনীর সন্ত্রাসীরা দুই দফায় হামলা চালায় রূপায়ন টাউনে। চলে লুটপাটও। এই ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রণালয়ের শিক্ষা ক্যাডারসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়েছিলেন। থানায় মামলাও হয়েছিল নাজিম উদ্দিন ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে।


স্থানীয় সূত্র জানায়, রূপায়নের পক্ষ হয়ে নাজিম উদ্দিন অসংখ্য নীরিহ মানুষের জমি জবর দখল করেছেন। এমনকি নিজের জমির প্রাপ্য অধিকার রক্ষায় প্রতিবাদ করতে গিয়ে হাবিবুর রহমান রাসেল নামে এক যুবক নির্মম ভাবে খুন হয়েছেন নাজিম উদ্দিনের সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে।


২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে নাজিম উদ্দিনের সন্ত্রাসী বাহিনী রাসেলকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে নির্মম ভাবে গুলি করে খুন করে। এ ঘটনায় রূপায়ন টাউন-নারায়ণগঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পিয়ার আলী মজুমদারকে প্রধান এবং নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও রূপায়ন টাউন-নারায়ণগঞ্জের সমন্বয়ক এই নাজিম উদ্দিনকে দ্বিতীয় আসামি করে ১৩ জনের নামে মামলা দায়ের করেন নিহত রাসেলের বোন ফৌজিয়া খাতুন।


স্থানীয়দের মতে, সিদ্ধিরগঞ্জের এক সময়ের ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী ও ৭ খুন মামলার অন্যতম প্রধান আসামী সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেনের কায়দায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাচ্ছে নাজিম উদ্দিন। এলাকার সর্বস্তরের মানুষ জিম্মি হয়ে পরেছে এই মুকুট বিহীন স¤্রাটের কাছে। তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতেও সাহস পায়না। তাই নাজিম উদ্দিন যেন সেই ভয়ঙ্কর নূর হোসেনেরই প্রতিচ্ছবি।


একটি প্রভাবশালী পরিবারের ঘনিষ্ঠজন হওয়ার কারণে পুলিশ প্রশাসন বরাবরই এই ভাইস চেয়ারম্যানে বিরুদ্ধে হার্ডলাইনে যায়নি। আর এতেই তিনি অধিক বেপোরয়া হয়ে উঠেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সর্বত্র প্রভাব বিস্তারের জন্য তার বিশাল একটি বাহিনীও রয়েছে। এই বাহিনীই মূলত চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সংঘটিত করে থাকেন। এই বাহিনীর নেতৃত্বে রয়েছে তারই ছোট ভাই শরীফ (৩৮), মৃত মধু মোল্লার ছেলে মোঃ রাজ্জাক মোল্লা (৪৮), উকোল উদ্দিন সাউদের ছেলে রাসেল সাউদ (৩২) একই এলাকার মোঃ এরশাদ (৩০), সাইনবোর্ড এলাকার মোঃ আবুল খায়ের (৩২) ও মোঃ ভাগিনা মিজান (৩৫)। এরা প্রত্যেকেই ভাইস চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন বাহিনীর অন্যতম সদস্য। মূলত এদের মাধ্যমেই পরিবহন সেক্টর থেকে চাঁদাবাজী নিয়ন্ত্রণ, ভ‚মিদস্যুতাসহ অন্যান্য অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণ করছে নাজিম উদ্দিন।


অনুসন্ধানে আরো দেখা যায়, সাইনবোর্ড-চাষাড়া রুটে ইজিবাইক, টেম্পু, সিএনজি, লেগুনা, ট্যাক্সি, ছোট-বড় লোকাল ও সিটিং বাস সহ অন্যান্য যানবাহনে প্রকাশ্যে বীরদর্পে চাঁদাবাজি করে থাকেন নাজিম উদ্দিন বাহিনীর লালিত চাঁদাবাজরা। শুধু কি তাই ? সাইনবোর্ডে সরকারী জমি ভড়াট করে সেখানে অনাবিল পরিবহনের স্ট্যান্ডও গড়েছেন এই নাজিম উদ্দিন। এই অবৈধ স্ট্যান্ড থেকেই প্রতিমাসে দেড় লাখ টাকা চাঁদা উত্তোলন করা হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।


চাহিদামত চাঁদা দিতে আপত্তি জানালেই শুরু হয় অমানবিক নির্যাতন। পাশাপাশি ওই রুটে গাড়িই চালানো বন্ধ হয়ে যায় ভুক্তভুগি চালকদের। এমন অভিযোগ ভুক্তভুগিদের।


গত বছরের এপ্রিলে চাঁদার দাবিতে বাবু নামে অনাবিল পরিবহনের এক চালককে পিটিয়ে হাত ভেঙ্গে দিয়েছিল নাজিম উদ্দিনের লোকজন। এ হামলায় ছিলেন, নাজিম উদ্দিনের সৎ মোঃ শরীফ (৪৫), ফুফাত ভাই মোঃ রাজ্জাক মোল্লা (৪৮), ভাতিজা রাসেল সাউদ (৩২) একই এলাকার মোঃ এরশাদ (৩০), সাইনবোর্ড এলাকার মোঃ আবুল খায়ের (৩২), ও মোঃ ভাগিনা মিজান (৩৫)।


গুরুতর আহত বাস চালক বাবু (৩১) ব্রাহ্মনবাড়ীয়া বাঞ্ছারামপুর থানার উজানচর গ্রামের মোঃ শাহজাহান মিয়ার ছেলে। কাজের সুবাধে তিনি ফতুল্লার সাইনবোর্ড গিরিধারা এলাকায় ভাড়ায় বসবাস করতেন। এ ঘটনায় নাজিম উদ্দিনসহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন বাস চালক বাবু।


অনুসন্ধানে সড়কে চলাচলরত একাধিক ইজিবাইক, টেম্পু, বাস ও লেগুনা চালকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, করোনার প্রভাবের পূর্বে স্বাভাবিক দিনে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের সাইনবোর্ড টু শিবু মার্কেট রুটে প্রতিদিন প্রায় ৫০০টি ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক চলাচল করত। সে হিসাবে নাজিম উদ্দিনের লোকজন ইজিবাইক প্রতি ৫০ টাকা করে দৈনিক ২৫ হাজার টাকা উত্তোলন করছে। মাসে এর অংক দাঁড়ায় ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আর বছরে এর অংক দাড়ায় ৯০ লক্ষ টাকায় !


গ্যাস চালিত ইজিবাইক রয়েছে প্রায় ৫০টি। দৈনিক ৩০ টাকা করে গ্যাস চালিত ৫০টি ইজিবাইক থেকে চাঁদা উঠানো হয় দেড় হাজার টাকা। মাসে এর অংক দাঁড়ায় ১৮ হাজার টাকায়। ২ লাখ ষোল হাজার টাকায়।


এখানেই শেষ নয়, মাসিক হারে প্রতিটি ইজি বাইক চালকের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে আরো ৩শ’ টাকা করে। সেই হিসেবে দৈনিক ২৫ হাজার টাকা শুধু ইজিবাইক থেকে উত্তোলন করা সত্বেও মাস শেষে পুনরায় ৫৫০টি ইজিবাইক থেকে উত্তোলন করা হচ্ছে আরো ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা!


এখানেও ক্ষ্যান্ত হয়নি তারা। প্রতিটি ইজিবাইক সড়কে নতুন নামালে কথিত ‘অনুমোদন’ হিসেবে দিতে হয়েছে ১০ হাজার টাকা করে। সেই হিসেবে ৫৫০টি ইজি বাইকের কথিত ‘অনুমোদন’ হিসেবেই হাতিয়ে নেয়া হয়েছে আরো ৫৫ লাখ টাকা !


সাইনবোর্ড থেকে দৈনিক নুন্যতম ২৫০টি সিএনজি থেকে চাঁদা উত্তোলন করছে ওই চক্রটি। এর মধ্যে সাইনবোর্ড টু চাষাড়া পর্যন্ত চলাচলরত প্রতিটি সিএনজি থেকে দৈনিক উত্তোলন করা হচ্ছে ৮০টাকা করে। এই রুটের বাইরে চলাচলকারী সিএনজি চালকদেরও নিস্তার নেই। সাইনবোর্ড থেকে যেকোন প্রান্তে রিজার্ভ ভাড়ায় চলাচল রত সিএনজি চালকদের কাছ থেকেও আদায় করা হচ্ছে ভাড়ার সমিকরণে শতক প্রতি ১০টাকা করে।
ইজিবাইক ও সিএনজি সমিকরণেই চোখ কপালে ঠেকলে তা হবে ওই প্রভাবশালী চাঁদাবাজ চক্রটির রাম রাজত্বের প্রতি অবিচার! কেননা, এখনও রয়ে গেছে ‘রাজ্যের’ নানাবিধ সেক্টরের বে-হিসেবি সমিকরণ।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাইনবোর্ডে সরকারী জমি অবৈধ ভাবে ভড়াট করে সেখানে অনাবিল পরিবহন ও ট্যাক্সি স্ট্যান্ড বসিয়েছেন নাজিম উদ্দিন। প্রতি মাসে দেড় লাখ টাকা করে চাঁদার জোগান হচ্ছে শুধু অনাবিল পরিবহন থেকেই, বছরে তা দাঁড়াচ্ছে ১৮ লাখ টাকায়।


সূত্র আরো জানায়, অনাবিল পরিবহনের কোম্পানীর ব্যতিত ব্যক্তি মালিকানা বাস গুলো থেকে দৈনিক ১ হাজার টাকা করে উত্তোলন করা হচ্ছে।


এখানেই শেষ নয়, সরকারি জমি দখল করে সেখানে বসিয়েছেন বাজার, হোটেল ও ফুটপাতে অসংখ্য দোকানপাট। ফুটপাতে দোকান ঘরের আকার ভেদে একেকটি দোকান থেকে প্রতিদিন চাঁদা উত্তোলন করা হচ্ছে ৫০-১০০ টাকা। আর বাজারে প্রতিটি বড় দোকান থেকে উত্তোলন করা হচ্ছে দৈনিক ২০০ থেকে ২৫০ টাকা করে। এছাড়াও বিদ্যুৎ বিলের নাম করে দৈনিক প্রতিটি দোকান থেকে ৫০ থেকে ১০০ টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে। বাজার ও ফুটপাত মিলিয়ে এমন দোকান ঘর রয়েছে প্রায় ২৫০টি।


সরকারি জমিতে এমন অবৈধ রাম রাজত্ব চালাতে খুটি হিসেবে গড়েছেন শ্রমিক সংগঠনের একটি কার্যালয়। নাম মাত্র এই শ্রমিক সংগঠন গড়া হলেও এখানে শ্রমিকদের কল্যাণে গঠিত হয়নি কোন কল্যান ফান্ট।


এমনকি করোনার এই দুঃসময়ে পরিবহন শ্রমিকরা প্রায় না খেয়ে থাকলেও তাদের খোঁজ-খবরও নিচ্ছে না নাজিম উদ্দিন। নিজ উদ্যোগে কাউকে সহায়তা করার মত কোন খবরও পাওয়া যায়নি। অনেকেই অভিযোগ করে বলছেন- করোনার উদ্ভব ঘটনার পর থেকেই দেখা মিলছে না নাজিম উদ্দিনের।


নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাইনবোর্ড এলাকার এক ইজিবাইক চালক জানান- বেশ কয়েকদিন সড়কে গাড়ি নিয়ে বের হতে পারিনি। অর্থ ও খাদ্য সংকটে পড়েছিলাম। কিন্তু নাজিম উদ্দিন সাহেব আমাদের কোন খোঁজ খবর নেয়নি। শুনেছি, কয়েকজনকে মাস্ক দিয়েছে। কিন্তু আমরা সেই মাস্কও পাইনি। এই অবস্থাতেও রাস্তায় গাড়ি নিয়ে বের হলে তার লোকজন চাঁদা উত্তোলন করেছে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক লেগুনা চালক জানান, সরকারী দলের একজন এমপি’র নাম ভাঙ্গিয়ে নাজিম চেয়ারম্যানের লোকেরা আমাদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে। নাজিমউদ্দিনের ঘনিষ্ঠজনরা এই চাঁদাবাজির সেক্টরটি নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। কিন্তু আজ আমাদের দুর্দিনে তারা পাশে দাঁড়ায়নি। একটি শ্রমিক সংগঠন করেছে। সেখান থেকেও কোন অনুদান দেয়া হয়নি।


এ বিষয়ে নাজিম উদ্দিনের পক্ষ থেকে বক্তব্য নেয়ার জন্য শনিবার (২ মে) বিকেল ৪টার দিকে তার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি। তাই তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সময় নারায়নগঞ্জ.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:

শহরের বাইরে -এর সর্বশেষ